খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ওমরাহ পালন বিএনপি নেতাদের!


ওমরাহ পালন করছেন মক্কা বিএনপির নেতারা। ছবি : এনটিভি

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় সৌদিআরবে পবিত্র ওমরাহ পালন করেছেন মক্কা প্রাদেশিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।



শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) স্থানীয় সময় এশার নামাজের পর মক্কার মসজিদুল হারামে পবিত্র ওমরাহ পালন করা হয়।



আরও পড়ুন : মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমারও রয়েছে : তারেক রহমান


এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুর রহমানের নেতৃত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন– মক্কা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাজাহান, জেদ্দা কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি বাহার উদ্দিন বাহার, মক্কা জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি রাশেদুল আমিন চৌধুরী, মোহাম্মদ কাইয়ুম, আহসান আহমেদ, আবদুল করিম, ফরিদুল আলম, বদরুল হায়দার, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ ইসহাক, তছলিম, ফয়েজ সরকার, সাইদুর রহমান সোহাগ, মাওলানা মহিবুউল্লাহ ভূইয়া, বেলাল ভূইয়া, মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, ইকবাল হোসাইন ও জাহাঙ্গীর আলম।


Advertisement


আরও পড়ুন : সিসিইউতে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া


পবিত্র কাবাঘর তাওয়াফের মাধ্যমে ওমরাহ পালন শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আশু সুস্থতা, দীর্ঘ জীবন এবং তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী শক্তির সহায়তায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সফলতা কামনা করা হয়। একই সঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ তার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।


Advertisement


Advertisement

এ সময় মক্কা বিএনপি, জেদ্দা মহানগর ও তায়েফ বিএনপির অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।


খালেদা জিয়া বিএনপি মক্কা ওমরাহ


সংশ্লিষ্ট সংবাদ: খালেদা জিয়া

 ১ ঘন্টা আগে

খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

 ২ ঘন্টা আগে

হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর যেন খালেদা জিয়া দেখে যেতে পারেন : হাসনাত আব্দুল্লাহ

 ২ ঘন্টা আগে

খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি

আরও

facebook sharing buttontwitter sharing buttonwhatsapp sharing buttonlinkedin sharing buttongmail sharing buttonsharethis sharing button



নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে : সিইসি


নিজস্ব প্রতিবেদক

১২:০৫, ২৯ নভেম্বর ২০২৫


প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আশা করছি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। তখনই সব জানতে পারবেন।


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শনিবার (২৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত ‘মক ভোটিং’ পরিদর্শন শেষে সিইসি এ মন্তব্য করেন। মক ভোটিংয়ের মাধ্যমে সময় ব্যবস্থাপনা, ভোটার সেবাদান ব্যবস্থা এবং সার্বিক প্রস্তুতির বাস্তব মূল্যায়ন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।


সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা মোটামুটি সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ইনশাআল্লাহ, জাতিকে যে সুন্দর, অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি তা আমরা বাস্তবায়ন করব।


এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আজকের এই মহড়ার উদ্দেশ্য হলো একটি আদর্শ পোলিং সেন্টারের পরিবেশ কেমন হবে তা বাস্তবে দেখা। ভোটার কিউ, পোলিং অফিসারদের কার্যক্রম, প্রিসাইডিং অফিসারদের ভূমিকা, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—সবই আমরা প্র্যাকটিক্যাল ডেমনস্ট্রেশনের মাধ্যমে যাচাই করছি।


সিইসি জানান, প্রথমবারের ভোটারসহ অনেকেই কখনো ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা না থাকায় মক ভোটিং তাদের হাতে–কলমে ধারণা দিচ্ছে। পাশাপাশি কমিশন ভোট গ্রহণের পুরো সময় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা পরিমাপ করছে। যেহেতু নির্বাচনের পাশাপাশি এবার গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে, এজন্য সময় ব্যবস্থাপনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করি। এবার অতিরিক্ত গণভোট পরিচালনা করতে হবে। তাই আজকের রিয়েল টাইম এসেসমেন্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ৪২ হাজার ৫০০ পোলিং সেন্টার যথেষ্ট কি না, বা বুথ বাড়ানোর প্রয়োজন আছে কি না।


এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও বলেন, বুথ বাড়ানো মানে অতিরিক্ত জনবল, বাক্স, লজিস্টিকসহ নানা ব্যয় যুক্ত হবে। তবে কমিশন খরচ নয়, প্রয়োজনকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেবে। মানুষকে কষ্ট দিতে চাই না। সময় যদি বেশি লাগে, আমরা বুথ বা কেন্দ্র বাড়াব। আজকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হবে।


সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতর অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে সাংবাদিকদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করে বাইরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এটা সাংবাদিকতার কাজে বাধা নয়। পোলিং সেন্টারের ভেতর ধাক্কাধাক্কি বা ভিড় তৈরি হলে ভোটগ্রহণ ব্যাহত হতে পারে—এটা প্রতিরোধ করতেই অনুরোধ।


অনেকে দেড় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়ে মন্তব্য করলে সিইসি বলেন, এটিও একটি অভিজ্ঞতা। আজকের মূল্যায়নে আমরা দেখব কোন জায়গায় ঘাটতি আছে। বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এসব গ্যাপ পূরণ করা হবে।


সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার প্রসঙ্গে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে আইন-শৃঙ্খলা কখনো পারফেক্ট ছিল না। বিচ্ছিন্ন ঘটনা তো থাকবেই। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি অনেক উন্নতি করেছে। আমরা পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ সব সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। সিইসির দাবি, আগের তুলনায় এখন পরিস্থিতি অনেক শান্ত। তিনি বলেন, আগে আমরা নিজেরাও নিরাপত্তাহীনতায় ছিলাম। এখন পরিস্থিতি অনেক ইমপ্রুভ করেছে।


গণভোটের প্রচারণার বিষয়ে সিইসি বলেন, এটা এখনো জানার কথা নয়। আইন পাস হয়েছে মঙ্গলবার। আইন কমিশনকে অনুমোদন দিয়েছে। এখন থেকে প্রচার শুরু হবে—তথ্যমন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা সবাই মিলে ব্যাপক প্রচারণা করব।


সিইসি বলেন, গণভোটে চারটি প্রশ্ন থাকলেও ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—আইন অনুযায়ী প্রশ্নগুলো একসঙ্গে বান্ডেল করা। এক-দুটো প্রশ্নে হ্যাঁ, বাকি প্রশ্নে না—এ রকম পৃথক অপশন নেই। এটা রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত।


নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন ভিডিও সংবাদ

বিএনপির দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, আলফাডাঙ্গায় ১৪৪ ধারা জারি


সঞ্জিব দাস, ফরিদপুর

১২:০০, ২৯ নভেম্বর ২০২৫


ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বিএনপির দুই গ্রুপের আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল ইকবাল এ আদেশ জারি করেছেন।‌ ‌


আদেশে বলা হয়, আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) আলফাডাঙ্গা উপজেলার পৌরসভার, স্কুল, মাঠ ও বাজার এলাকায় একই সময়ে বিএনপির দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি সমাবেশ আহ্বান করায় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হলো। উল্লেখিত এলাকায় সব সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র ইত্যাদি বহনসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঁচ বা ততধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান কিংবা চলাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।


এলাকাবাসী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল তিনটায় আলফাডাঙ্গা আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা প্রচার ও ধানের শীষের পক্ষে জনসভার আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে, বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর অনুসারী এস এম খোশবুর রহমান খোকনের গ্রুপ গত ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে তাদের ওপর হামলা ও নবগঠিত বিএনপির কমিটি বাতিলের প্রতিবাদে একই সময়ে একই স্থানে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। আর এই পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে।


বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ও জনসাধারণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে কেন্দ্র করে আলফাডাঙ্গা উপজেলার পৌরসভার স্কুল, মাঠ ও বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এ আদেশ অমান্য করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।


বিএনপি ফরিদপুর ১৪৪ ধারা জারি ভিডিও সংবাদ

নার্স-চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ


আদি রাকিব, কিশোরগঞ্জ (সদর-হোসেনপুর)

১১:৫০, ২৯ নভেম্বর ২০২৫


সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি : এনটিভি

কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নার্স-চিকিৎসকের অবহেলায় মো. মাহতাব (৫০) নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দিনগত রাত ১টার দিকে হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ওই রোগীর মৃত্যু হয়। তিনি সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের পূর্ব জিনারাই গ্রামের মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে।


স্বজনদের অভিযোগ, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গেলে মাহতাবকে দ্রুত হাসপাতালে আনা হয়। অবস্থার অবনতি দেখে তাকে চতুর্থ তলার মেডিসিন বিভাগের পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তবে ভর্তি করার পর প্রয়োজনীয় ওষুধ এনে দেওয়ার পরও দায়িত্বে থাকা নার্সরা কোনো চিকিৎসা দেননি বলে দাবি করেন স্বজনেরা।


স্বজনেরা আরও অভিযোগ জানান, কয়েকবার ডাকাডাকির পরও নার্সরা রোগীর কাছে না আসায় কিছুক্ষণ পরই মাহতাবের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দায়িত্বে থাকা নার্স টুম্পা রানী সিং ও রুমা আক্তার ওয়ার্ড ছেড়ে পালিয়ে যান বলে জানান তারা। নার্সদের গাফিলতির বিষয়টি কর্তব্যরত চিকিৎসককে অবগত করতে গেলে তিনি বাগবিতণ্ডায় জড়ান।


পরে কয়েকজন মেডিকেল শিক্ষার্থী রোগীর স্বজনদের আটকে রাখা, মোবাইলফোন কেড়ে নেয় এবং মারধরের চেষ্টা চালায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।


ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জয় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। তারা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্বজনরা লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


চিকিৎসকের অবহেলা কিশোরগঞ্জ রোগীর মৃত্যু

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয় : মির্জা আব্বাস


এনটিভি অনলাইন ডেস্ক

১১:৫০, ২৯ নভেম্বর ২০২৫


বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দলের শীর্ষ নেতারা। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) গভীর রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বেগম জিয়াকে দেখতে যান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।


হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়ার জ্ঞান থাকলেও তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়।


মির্জা আব্বাস বলেন, ম্যাডামের জ্ঞান আছে, তিনি আমাদের চিনতে পেরেছেন এবং আমাদের সালামের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা ওঠানামা করছে—এই ভালো থাকে, এই খারাপ থাকে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এই মুহূর্তে উনি স্থিতিশীল নন। আরও উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তো ভালো থাকতে পারেন।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের ‘অত্যাচার ও নির্যাতনের ফল’ এখন বেগম জিয়ার শরীরে প্রতিফলিত হচ্ছে।


আরও পড়ুন : মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমারও রয়েছে : তারেক রহমান


বিএনপির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান সাংবাদিকদের জানান, বেগম খালেদা জিয়াকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড তার সব প্যারামিটার (শারীরিক সূচক) পর্যবেক্ষণ করছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে।


খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধি


এদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তার চিকিৎসার বিষয়ে কোনো ঘাটতি না রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।


প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে শুক্রবার মধ্যরাতে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এবং বিশেষ সহকারী মনির হায়দার হাসপাতালে গিয়ে বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসিফ নজরুল ফেসবুকে লেখেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা একদমই ভালো না। সবাই দোয়া করবেন।


আরও পড়ুন : সিসিইউতে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া


হাসপাতালে ভিড় না করার নির্দেশনা


বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ থাকলেও তার চিকিৎসার সুবিধার্থে দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের হাসপাতালের ভেতরে বা আশপাশে ভিড় না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।